নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নড়াইলে আগামীকাল ২৯ শে অক্টোবর নড়াইল বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস (১২৯৫) এর ত্রি বার্ষিক শ্রমীক ইউনিয়ন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের শ্রমীক ইউনিয়ন নির্বাচনে তিনজন সভাপতি পদ প্রার্থী, ছয়জন সাধারন সম্পাদক ও দুইজন সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী সহ মোট ৪১ জন বিভিন্ন পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সভাপতি পদে বিপ্লব বিশ্বাস বিলো আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।তিনি নড়াইল( ১২৯৫) শ্রমীক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ও বার বার নির্বাচীত সভাপতি ও নড়াইল পৌরসভার সাবেক মেয়র মরহুম জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের ছোট ভাই। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নড়াইল জেলা শাখার সদস্য।দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সাধারন শ্রমীকদের সাথে নিয়ে শ্রমীকদের ভাগ্য উন্নয়নে ও শ্রমীক ইউনিয়ন কে সুসংগঠিত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন এবং শ্রমীকদের অনুরোধেই তিনি এবার সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন।
সাধারন শ্রমীকদের সাথে আলাপ করে জানাযায়, এবারের শ্রমীক ইউনিয়ন নির্বাচনে সবচাইতে হেভিওয়েট ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে বিপ্লব বিশ্বাস বিলো তাদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছেন।জয়ের পাল্লা তার দিকেই ভাঁড়ি।
মশিয়ার রহমান বিশ্বাস দোয়েল পাখি মার্কা নিয়ে সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন,তিনি নড়াইল শ্রমীক ইউনিয়ন ( ১২৯৫) এর সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,
নড়াইল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সামনের শ্রমীকদের দির্ঘদিনের কষ্ট ময়লার ভাগার মাটি দিয়ে ভড়াট করে শ্রমিকদের মনে যায়গা করে নিয়েছেন ।
তিনি বর্তমানে সাধারন শ্রমীকদের মাঝে যথেষ্ট জনপ্রিয় একজন এবং সাধারন শ্রমীকদের মাঝে জনপ্রিয়তার দিক থেকে তিনিও সভাপতি পদে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন সিকদার রিকশা প্রতীক নিয়ে সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন।তিনি সাবেক কার্যকর সভাপতি পদে ছিলেন,সাবেক সভাপতির মৃত্যুর পর (১২৯৫) এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে তিনিই দায়ীত্ব পালন করেছেন।একজন সদালাপী ও শ্রমীক বান্ধব নেতা হিসেবে সাধারন শ্রমীকদের মাঝে ব্যপক জনপ্রিয়তা রয়েছে তাঁর।
নড়াইল শ্রমীক ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১৯৬১। পদ্মা ও কালনা সেতু হওয়াতে নড়াইল এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট। সাবেক সভাপতি মরহুম জাহাঙ্গীর বিশ্বাস ও সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম সাদেক আহমেদ খানের মৃত্যুর পর নড়াইল বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস (১২৯৫) শ্রমীক ইউনিয়নে যে শুন্যতা সৃষ্টি হয়েছে আগামী ২৯ শে অক্টোবর সাধারন শ্রমীকরা তাঁদের মূল্যবান ভোট প্রয়োগ করে দক্ষ সংগঠক নির্বাচীত করে সে শুন্যতা পূরন করবে এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।
Leave a Reply