মোহাম্মদ মাসুদ বিশেষ প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও তার সমর্থকদের হামলার ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে এসে সাংবাদিকদের ওপর প্রার্থী সমর্থকদের হামলার ঘটনায় এ অঘটন ঘটে।
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এসময় নওফেল বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা যদি সত্য হয়ে থাকে, আমি ব্যক্তিগতভাবে ও আমার দলের পক্ষ থেকে ক্ষমাপ্রার্থী। আমাদের গণমাধ্যমকর্মীরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন। আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে কি-না সেটা জনগণের কাছে তুলে ধরছেন সাংবাদিকরা। এর প্রেক্ষিতে কেউ যদি রূঢ় ব্যবহার করে, গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর আক্রমণ করে-এটি একটি গর্হিত কাজ হয়েছে। আমি একজন সংসদ সদস্য হিসেবে নয়, আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে গণমাধ্যমের ভাইদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে জলাবদ্ধতা নিরসনের যে প্রকল্প রয়েছে তা ত্বরান্বিত করতে কাজ করবো। চট্টগ্রামের বিচারপ্রার্থী জনগণকে বিচার পেতে ঢাকায় উচ্চ আদালতে যেতে হয়। এতে সাধারণ জনগণকে অনেক হয়রানির মধ্যে পড়তে হয়। তাদের হয়রানি লাঘবে উচ্চ আদালতের সার্কিট বেঞ্চ স্থাপনে কাজ করবো।
প্রসঙ্গত,মোস্তাফিজুর তিনি প্রশ্নকর্তা ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক রাকিব উদ্দিনকে ঘুষি দেন। এসময় তার কাছ থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে মারধর শুরু করে নেতা-কর্মীরা। তারা আছড়ে ভেঙে ফেলে মাছরাঙা টেলিভিশনের মাইক্রোফোন ও ট্রাইপড। এ ঘটনায় দুই সাংবাদিক আহত হন। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে সাড়ে ১১টার দিকে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে চড়াও হন মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। এসময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন সাংবাদিকদের।